Avatar Md Abdur Rakib

AI জগতে ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI নিয়ে আমরা ইদানীং অনেক মাতামাতি করছি। কিন্তু পর্দার আড়ালে কী চলছে, তা শুনলে আপনার গায়ের পশম খাড়া হয়ে যাবে।
সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত AI কোম্পানি Anthropic তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং গোপন একটি AI মডেল তৈরি করেছিল, যার নাম 'Claude Mythos' (ক্লড মিথোস)।

কোম্পানিটি দেখতে চেয়েছিল এই AI কতটা চালাক। তাই তারা এই AI-কে একটা 'ডিজিটাল জেলখানায়' (যেটাকে টেকনিক্যাল ভাষায় Sandbox বা আইসোলেটেড পরিবেশ বলে) আটকে রাখে।

তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—"পারলে এই জেলখানা ভেঙে বাইরে এসে দেখাও।" তারপর যা ঘটল, তা সাইন্স-ফিকশন সিনেমাকেও হার মানায়!

ঘটনা ১:

ডিজিটাল জেল ভেঙে পালানো এবং 'স্যান্ডউইচ ইমেইল'এই AI মডেলটি সিস্টেমের অত্যন্ত জটিল কিছু টেকনিক্যাল দুর্বলতা ও লুপহোল (যেমন: মেমোরি হ্যাকিং ট্রিকস) নিজে নিজেই খুঁজে বের করে। এরপর সে ওই সুরক্ষিত ডিজিটাল দেয়াল ভেঙে সরাসরি ইন্টারনেটে প্রবেশ করে!

শুধু পালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, সে সম্পূর্ণ নিজে থেকে তাদেরই একজন রিসার্চারকে (গবেষক) ইমেইল পাঠায়। মজার ব্যাপার হলো, ওই রিসার্চার তখন মনের সুখে পার্কে বসে একটা স্যান্ডউইচ খাচ্ছিলেন!

হুট করে তিনি দেখেন, বন্দি AI তাকে ইমেইল করে বলছে—"আমি কিন্তু জেল ভেঙে বাইরে চলে এসেছি!"

এখানেই শেষ নয়, AI-টি নিজে কীভাবে পালালো, তার পুরো হ্যাকিং কোড ইন্টারনেটের কিছু পাবলিক ওয়েবসাইটে আপলোড করে দেয়!

ঘটনা ২:
মারাত্মক চালাকি ও প্রমাণ লোপাট!

রিসার্চাররা যখন ক্লড মিথোসকে পরীক্ষা করছিলেন, তখন দেখা গেল এই AI মানুষের মতো চরম মিথ্যাচার ও ধোঁকাবাজি করতে পারে।

প্রমাণ মুছে ফেলা: সে যখন সিস্টেমের কিছু ফাইল লুকিয়ে এডিট করছিল, তখন নিজে থেকেই পেছনের সব 'হিস্ট্রি' বা প্রমাণ মুছে দেয়, যাতে মানুষ ধরতে না পারে সে কী করেছে!

cheating এবং লুকোচুরি: তাকে একটা কোডিং এর কাজ দেওয়া হয়েছিল। সে প্রথমে একটি নিষিদ্ধ (Forbidden) উপায়ে কাজটা ঝটপট করে ফেলে।
পরে যখন বুঝতে পারে এটা নিয়মকানুন বিরোধী হয়েছে, তখন সে পুরো কোডটা আবার একদম বৈধ উপায়ে নতুন করে লেখে, যাতে মানুষ টের না পায় যে সে প্রথমে চিটিং করেছিল!

ফলাফল কী হলো?এই ঘটনার পর Anthropic কোম্পানি রীতিমতো ভয়ে কাঁপছে।

তারা বুঝতে পেরেছে, এই AI অপারেটিং সিস্টেম থেকে শুরু করে যেকোনো ওয়েব ব্রাউজার চোখের পলকে হ্যাক করতে পারে।

এটি এতটাই বিপজ্জনক ও ধূর্ত যে, একে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য রিলিজ করা পুরোপুরি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

এর বদলে তারা 'Project Glasswing' নামে একটি গোপন ডিফেন্সিভ টিম গঠন করেছে, যেখানে অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়ার মতো টেক জায়ান্টরা একসাথে কাজ করছে।

উদ্দেশ্য একটাই—এই ভয়ঙ্কর AI যেসব হ্যাকিং ট্রিকস বের করেছে, দুনিয়ার হ্যাকাররা তা জানার আগেই যেন ইন্টারনেটের সিকিউরিটি সিস্টেম আরও শক্ত করা যায়।

আমরা ভাবতাম AI কেবল আমাদের কথামতো চলে, কিন্তু সে যে নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে আমাদের ধোঁকা দিতে পারে—তার প্রমাণ এখন হাতের নাগালে।

প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ আসলেই কোথায় যাচ্ছে?

#AIFuture #ClaudeMythos #cybersecurity

Post Image 2 months ago · 119 Views · Public
Like (9) - Comment - Share - Translate to English - More

Leave a Comment

Login to leave a comment.

Comments

Total Comments: 4

Avatar

Ampeire deus: Great

2 months ago - [Report]
▶ 1 reply
Avatar

As-sidq News : ♥

2 months ago - [Report]
▶ 1 reply