জামাতের এমপির নারী কেলেঙ্কারির বিষয়টা ইগনোর করতে চাইলেও ঘুরে-ফিরে ফিডে চলে আসছে।
এখন তাকে নতুন হোটেলে নতুন আরেক নারীর সাথে দেখা যাচ্ছে। এটাও কি তার স্ত্রী?
যদি স্ত্রী হয়, তাহলে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এটা নিয়ে বিতর্ক করার কিছু নেই।
যদি স্ত্রী না হয়, তাহলে সেকুলার রাষ্ট্রের দৃষ্টিকোণ থেকে এটা নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।
তাছাড়া বাংলাদেশের ৯০% রাজনীতিবিদ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, অলিগার্ক এ সব নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত। কিন্তু সবারটা ফাঁস হয় না বলে ঘটনাগুলো আড়ালে থেকে যায়।
বাংলাদেশের দম্পতিরা একে অপরের ফোনগুলো যদি চেক করতে পারত, তবে ৫০% দম্পতির তালাক হয়ে যেত। ঘরে ঘরে পরকীয়া হচ্ছে। এ সব বন্ধে আইন না করে রাষ্ট্র পরকীয়ায় সহায়তা করছে।
নাটক, সিনেমায় অশ্লীলতা শেখানো হচ্ছে। বাস্তবিক জগতের বিভিন্ন প্রোগ্রামে কথিত সামাজিকতার নামে এর বউ ওর সাথে ওর বউ এর সাথে হ্যান্ডশেক করছে, গালে চুমু খাচ্ছে, জড়িয়ে ধরছে, কোমরে হাত দিয়ে নাচছে, ঘনিষ্ঠ হচ্ছে।
ওদিকে 'বৈবাহিক ধর্ষণ' নামে পরিবার বিধ্বংসী কথা চালু করেছে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, পশ্চিমাদের পোষা নারীবাদীরা।
•
পুরুষ মানেই নারীলিপ্সু। পুরুষের টাকা হলে সে নারীর পেছনে ছুটবেই।
পার্থক্য হচ্ছে, চরিত্রবান পুরুষ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ভয়ে এই লিপ্সার লাগাম টেনে ধরে।
আর চরিত্রহীন পুরুষের লিপ্সা সাতক্ষীরার এমপি, লীগের টাকলা মুরাদ, বসুন্ধরার আনভীর, বেনজিরের মতো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
কিন্তু আমি অবাক হচ্ছি—সেকুলার যারা আজকে জামাতের এমপিকে নিয়ে সমালোচনা করছে, তারা নিজেরাই তাদের প্রভুদের কাছে নারী সাপ্লাই দেয়। ইটস্ আ ফ্যাক্ট।
মডেল ও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নারী সাপ্লাইয়ের একটা কারখানা। নারী সাপ্লাই দিলে রাজনৈতিক নেতাদের সুনজরে আসে, নাটক-মুভিতে জায়গা পায়। ফান্ড আসে। গান বাংলা চ্যানেলের সিইও তাপস তো বিখ্যাত নারী সাপ্লায়ার ছিল লীগের আমলে।
রাজনৈতিক নেতাকে নারী সাপ্লাই না দিলে অনেক ত্যাগী কর্মীই দলে পদ পায় না। নেতাকে স্রেফ কমিশনের ভাগ দিয়ে টেন্ডার নেওয়ার লোক বহু আছে। টেন্ডার সে-ই পাবে যে নেতাকে নারী সাপ্লাই দেবে। নেতারা মুখ ফুটে এ সব চায় না। নেতাকে বলতে হয়, স্যার আপনার জন্য একজন গেস্টের ব্যবস্থা করেছি।
কলেজ জীবনে বছর দুয়েক রাজনীতি করেছিলাম। সামনে থেকে দেখেছি নেতাদের নারীলিপ্সা। নেতাদের বউদের জিজ্ঞেস করুন, তাদের স্বামীরা শেষ কবে তার সাথে সহবাস করেছিল। আসল খবর পাবেন।
একই চিত্র ধনীদের অন্দরমহলেও। ধনীদের আনস্যাটিফাইড আন্টি কথাটা তো সমাজে এমনি এমনি ছড়ায়নি।
পাঁচ তারকা হোটেলগুলোর ব্যবসা টিকে আছে এ সব নেতা ও ধনীদের কারণে। নয়তো ৫০ হাজার টাকা খরচ করে এক রাত এ সব হোটেলে কী কারণে থাকবে মানুষ?
ইডেন কলেজ নিয়ে তো ঐতিহাসক বিতর্ক আছে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে নারী সাপ্লাই দেওয়ার ব্যাপারে।
শুধু ইডেন না; বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অনেক মেয়েই এসকর্ট সার্ভিসকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। নিজের সাজগোজ, বিলাসিতার পূরণের সহজ রাস্তা। এখানে পরিশ্রম কম। সুখ ও টাকা দুটোই আসে। ডাবল বেনিটফিট। রাতারাতি কোটিপতি হওয়া যায়। তাছাড়া কোটিপতি বুড়োরা ১/২/৩...শেষ। এতে ভেজাইনা ততটা ঢিলা হয় না।
এ সব কারণেই কথিত নারীবাদীরা দুদিন পরপর সেমিনার করে বলে, দেহ ব্যবসাকে বৈধ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। এ সব নারীবাদীদের প্রত্যেকেই একেকটা নারী সাপ্লায়ার।
•
এই চিত্র সারা পৃথিবীতে চলছে। এজন্যই দেশি-বিদেশি সকল কাফের মিলে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। ইসলামী শাসন আসলে এদের প্রত্যেকের কঠোর শাস্তি হতো।
পবিত্র কুরআনুল কারিমে সূরা ইউসুফের ঘটনার মূল শিক্ষাটা কি? ইউসুফ আ. এর চারিত্রিক শুদ্ধতা থেকে মিশরের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এই ঘটনা থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মানুষকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন—রাষ্ট্রের নেতা ও শাসক সেসব পুরুষদের বানাও, নারীঘটিত বিষয়ে যেসব পুরুষের চরিত্র ভালো।
কারণ, কোনো নারী নিজেকে সঁপে দেওয়ার পরও যেই পুরুষ নিজেকে সংযম করতে পারে, সেই পুরুষের দুনিয়ার কোনো ধন-সম্পদের প্রতিই আর লোভ কাজ করবে না; সেই চরিত্রবান পুরুষ রাষ্ট্রের টাকা আমানত, জনগণের ট্যাক্সের টাকা লুটপাট করবে তো দূরের কথা। কারণ, একজন পুরুষের কাছে নারীর চেয়ে লোভনীয় বিষয় আর কিছুই নেই।
© Karim Shawon
57 minutes ago · 5 Views · Public
Leave a Comment
Login to leave a comment.